চিঠিপত্র
ডরির নামে পাঙাশ প্রতারণা
খাদ্যে ভেজাল ও খাদ্যদ্রব্যে প্রতারণা বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত একটি বিষয়। গত কয়েক বছরে ডোরি ফিশ আমদানির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও রেস্তোরাঁ, ফুডকোর্ট কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোয় ডরি ফিশের তৈরি বিভিন্ন আইটেমের চলছে রমরমা বিক্রি। মূলত চটকদার নাম ও বাহারি মেন্যুর আড়ালে কম দামের পাঙাশকে ডরির বিভিন্ন পদ হিসাবে পরিবেশন করে নেওয়া হচ্ছে চড়া দাম। এক্ষেত্রে মসলা ও সসের আড়ালে মাছের আসল স্বাদ-গন্ধ লুকানো হচ্ছে, যাতে আসল সত্য বোঝার সুযোগ না থাকে। এতে শুধু অর্থেরই ক্ষতি হচ্ছে না, ভোক্তার সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা করা হচ্ছে। কেউ পাঙাশ পছন্দ করেন না, আবার কারও নির্দিষ্ট মাছ বা খাবারে অ্যালার্জি কিংবা চিকিৎসাজনিত কারণে তা এড়িয়ে চলার প্রয়োজন হতে পারে। অজান্তে এমন খাবার খাওয়ানো তাই স্বাস্থ্যগত সমস্যারও কারণ হতে পারে। তাই এমন প্রতারণা বন্ধে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রজ্ঞা দাস, শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা

Post a Comment