বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
Online শপিং করুন এখন [Packly] তে এখানেই click করুন

গ্যাস সিলিন্ডারে সিন্ডিকেট

খবরের কাগজ পত্রিকা 
২৮  এপ্রিল ২০২৬
ই পেপার 

গ্যাস সিলিন্ডারে সিন্ডিকেট


রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য। হতাশার বিষয় হলো, এই অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানিটি এখন এক শ্রেণির অসাধু সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে বাজারজুড়ে চলছে অতিরিক্ত দাম হাঁকানোর মহোৎসব। কৃত্রিমসংকট দেখিয়ে ডিলার ও বিক্রেতারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অধিক মূল্য আদায় করছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মজুত থাকা সত্ত্বেও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে গ্যাস নেই বলে অজুহাত দেওয়া হচ্ছে। অথচ লোকচক্ষুর আড়ালে চড়া দামে রমরমা বিক্রি চলছে এসব গ্যাস সিলিন্ডার। তদারকি ও জবাবদিহির অভাবে এ অরাজকতা এখন চরমে পৌঁছেছে, যা জনজীবনে নাভিশ্বাস তুলছে। জ্বালানি খাতের এ বিশৃঙ্খলা কেবল সাধারণ মানুষের আর্থিক ক্ষতিই করছে না, বরং পুরো বাজারব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে প্রতিনিয়ত। এ অবস্থা চলতে থাকলে জ্বালানি খাতে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে। তাই গ্যাস সিলিন্ডারের এ সিন্ডিকেট ভাঙতে এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


প্রজ্ঞা দাস


শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ


proggadas2005@gmail.com


রাস্তার পাশে অসংখ্য ময়লার স্তূপ দেখার কেউ নেই!


দক্ষিণ চট্টলার চন্দনাইশ উপজেলার চন্দনাইশ পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম রাস্তার পাশে জমে আছে অসংখ্য ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। বিশেষ করে চন্দনাইশ সদর থেকে গাছবাড়ীয়া কলেজ গেট পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে অসংখ্য ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখা যায়। প্রতিদিনই বাড়ছে ময়লার স্তূপ। দেখার কেউ নেই! দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা সরানোর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। কাপড়ে নাক ঢেকে চলতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের। সেখানে জন্ম নিচ্ছে মাছি-মশা ও নানা জীবাণু। স্কুল-মাদরাসাপড়ুয়া শিশুসহ অনেক পথচারী প্রতিদিন এসব রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করে। দুর্গন্ধ ও মশার কারণে শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে এলাকাবাসীকে রেহাই দেওয়ার জন্য দ্রুত ময়লা-আবর্জনা সরানো হোক। তাছাড়া উপজেলাবাসীর উচ্ছিষ্ট খাবার, পচা ফলমূল, গোবর, কসাইখানার বর্জ্যসহ রাস্তার আশপাশের ময়লা-আবর্জনা সঠিকভাবে সংগ্রহ করে সার উৎপাদন করতে পারলে তা কৃষি অর্থনীতিতে টেকসই ভূমিকা রাখবে। এসব ময়লা-আবর্জনা থেকে চন্দনাইশ উপজেলায় সরকারিভাবে জৈব সার তৈরির প্রকল্প নেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষসহ এমপি জসীম উদ্দীন আহমেদ এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।


মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন


সংগঠক ও কলামিস্ট, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম emaduddinbd09@gmail.com


Post a Comment

Previous Post Next Post